শিরোনাম
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫:২১, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১৫:২২, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার ফায়ার সার্ভিসের মোট চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দের ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে কয়েকশ যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকা পড়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক তদারকিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন। পাশাপাশি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ফায়ার সার্ভিসকে সহায়তা করেন।
মার্কেটের আরাফাত অপটিকস-এর মালিক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দোকান বন্ধ করে বাসায় পৌঁছানোর পর খবর পান মার্কেটে আগুন লেগেছে। দ্রুত ফিরে এসে দেখেন পুরো মার্কেট ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারনা করছেন তিনি।
শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসের ইন্সপেক্টর মো. সোলায়মান আহমদ জানান, শ্রীমঙ্গলের দুটি ও মৌলভীবাজারের দুটি ইউনিট সম্মিলিতভাবে দের ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে মার্কেটে ধোঁয়া বের হওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় আমাদের ৫-৭ জন ফায়ার ফাইটার ধোয়ায় আক্রান্ত হন।
তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে এবং অগ্নিকাণ্ডের কারণ বৈদ্যুতিক ত্রুটিকেই সন্দেহ করা হচ্ছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুঁটে যাই। ফায়ার সার্ভিসকে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পুলশ ও সেনাবাহিনী সহায়তা করে। দুই থেকে তিনটি দোকানে তুলনামুলক বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’
অগ্নিকাণ্ডে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে