শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৭:৩৯, ১০ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৪১, ১০ মার্চ ২০২৬
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সি।
পুলিশ জানায়, গত ৯ মার্চ সকাল ৬টা ১০ মিনিটে শীতলক্ষ্যা পুলিশ ফাঁড়ি–এর এএসআই (নিরস্ত্র) এসএম লুৎফর রহমান দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নগর ভবনের সামনে থেকে মোটরসাইকেলে আসা তিনজন দুর্বৃত্ত চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা তার সরকারি ইস্যুকৃত একটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১৬ রাউন্ড গুলি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় এএসআই লুৎফর রহমানের এজাহারের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা–এ অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে দস্যুতা মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশের বিশেষ টিম গঠন করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদী–এর নেতৃত্বে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. ইব্রাহিম হোসেন–এর তত্ত্বাবধানে একাধিক টিম সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মো. মিশাল ওরফে বিশাল (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে বন্দর থানার সোনাকান্দা ব্যাপারীপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ পানির ট্যাংক এলাকার মৃত মিজানুর রহমানের ছেলে। এ সময় তার কাছ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি চাপাতি, একটি ছোরা ও একটি বড় ছুরি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মিশালের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার সহযোগীদের সঙ্গে মিলে ছিনতাই করা অস্ত্র ও গুলি বন্দর থানার রেলী আবাসিক এলাকায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে বন্দর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ওই এলাকার উইলসন রোডের একটি বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত সিমেন্টের বস্তার ভেতর থেকে লাল কাপড়ের শপিং ব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় ছিনতাই হওয়া পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিরা হলেন জিয়াম ওরফে রাফি (৩৪), ডাকু জুযেল (২৬) এবং আরহাম (৩২)। তাদের বিরুদ্ধে Arms Act, 1878-এর আওতায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে