শিরোনাম
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯:৪৭, ২৩ জুন ২০২৫
জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে কলেজ কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের জন্য ২ হাজার ৩৬৫ টাকা নির্ধারণ করে। মোশাররফ সময়মতো টাকা জমা দিলেও তাঁর ফরম পূরণ হয়নি। সোমবার এডমিট কার্ড নিতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে।
ভুক্তভোগী মোশাররফ বলেন, “আমরা ছয়জন একসঙ্গে টাকা ও কাগজ জমা দিই। পরে কলেজের সহকারী অফিস সহায়ক মো. শাজাহান দুটি অতিরিক্ত রশিদ নিয়ে নেন। সোমবার সবাই এডমিট কার্ড পেলেও আমি পাইনি। তখন জানানো হয়, আমার ফরম পূরণই হয়নি।”
পরিস্থিতি সামাল দিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ মোশাররফকে ৫ হাজার টাকা দিয়ে নতুনভাবে ফরম পূরণের পরামর্শ দেয়। বাধ্য হয়ে তিনি ধার করে টাকা জোগাড় করে কলেজ কম্পিউটার অপারেটর মনোয়ার হোসেনকে দেন। সেই টাকা নেওয়ার ভিডিও নাকি স্থানীয় এক সাংবাদিক ধারণ করেছেন।
মনোয়ার হোসেন নিজেও বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “ফরম মিস হওয়ার কারণে ৫ হাজার টাকা নিই। একজন শিক্ষক নাজিমুদ্দিনের মাধ্যমে ফরম পূরণ করানো হবে।” অফিস সহায়ক শাজাহান বলেন, “ভুলবশত ফরম পূরণ হয়নি। কলেজ ফান্ডে টাকা না থাকায় সাময়িকভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে। ফেরত দেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অপর পরীক্ষার্থী জাহিদ হাসান বলেন, “এমন দায়িত্বহীনতা মেনে নেওয়া যায় না। একজন ছাত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন খেলা চলতে পারে না। দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চাই।”
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ২৬ জুন থেকে। অথচ মোশাররফ এখনও নিশ্চিত নন—তিনি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন কি না। এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কলেজ অধ্যক্ষ মঞ্জুল কাদেরের সাড়া পাওয়া যায়নি।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ এমআরএইচ