শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮:২১, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৩:৪৮, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনায় সৌদি আরবে নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে। তেলের সংকট দেখা দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় দেশটির কয়েকটি পেট্রলপাম্পে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আল-জাজিরার সংবাদদাতা ইউসুফ মাওরি বলেন, সৌদি আরব রাজধানী সানায় ইয়েমেনের আল-সাবাহ কেন্দ্রীয় তেল স্থাপনায় হামলা চালানোর সময় তারা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন।
মাওরির তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব রাস ইসা বন্দরে ইয়েমেনের তেল সংরক্ষণ ট্যাংক লক্ষ্য করে আরও দুই দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে। এ ছাড়া হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা হোদেইদা প্রদেশের একটি তেল স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়েছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি অভিযোগ করেছেন, হুতিরা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের অস্ত্রভান্ডার হিসেবে ওই স্থাপনা এবং এর ভূগর্ভস্থ জ্বালানি ডিপো ব্যবহার করছে।
বিস্ফোরণের খবর প্রকাশের পর ইয়াহিয়া সারি জানান, সানায় সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর সঙ্গে হুতি যোদ্ধাদের সংঘর্ষ চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সানায় হামলা চালালে যেসব স্থাপনা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলোতে হামলা চালাবে হুতিরা।
এর আগে মঙ্গলবার সৌদি আরবের ধাহরানে আরামকোর সদর দপ্তর, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আরামকোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি তেল শোধনাগার থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, মঙ্গলবার আল-খারজে হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্যেই এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছিল, প্রতিহত করা দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে রিয়াদে চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৫টি বাড়ি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস