শিরোনাম
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১১:৩১, ৮ নভেম্বর ২০২৬
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
ঘন কুয়াশা আর নিস্তব্ধ অন্ধকারে শীতের রাতে যখন সীমান্তের গ্রামগুলো ঘুমে, তখনই সীমান্তের ওপারে শুরু হয় তৎপরতা।
শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) গভীর রাতে মৌলভীবাজারের জুড়ী ও বড়লেখা সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি বনাঞ্চলসংলগ্ন এলাকায় সীমান্তের বাতি নিভিয়ে প্রায় ২০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
তবে শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টা সফল হয়নি। ৫২ বিজিবির (বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন) সতর্ক পাহারা ও তাৎক্ষণিক তৎপরতায় পুশইনের চেষ্টা ঠেকিয়ে দেওয়া হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রাতের অন্ধকার ও ঘন কুয়াশাকে কাজে লাগিয়ে সীমান্ত এলাকার বাতি নিভিয়ে দেওয়া হয়। অন্ধকারের সুযোগে ওই ২০ জনকে বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ছিল বিএসএফের।
জুড়ী ও বড়লেখার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নজরদারি এমনিতেই কঠিন। বনাঞ্চলঘেরা এই সীমান্ত দিয়ে অতীতেও অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়েছে। এ কারণে বিজিবি আগে থেকেই ওই এলাকায় বাড়তি নজরদারি রাখছিল।
৫২ বিজিবির ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার থাকায় বিএসএফের এ চেষ্টা সফল হয়নি। সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, মাঝেমধ্যেই রাতের আঁধারে এ ধরনের পুশইনের চেষ্টা হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। তারা সীমান্তে আরও টহল ও আলোর ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
পুশইন শুধু সীমান্তের নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, এটি আন্তর্জাতিক আইন ও দুই দেশের সম্পর্কেরও বিষয়। রাতের আঁধারে আলো নিভিয়ে মানুষকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে টহল আরও বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনী প্রস্তুত।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস